ঢাকা , বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ , ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাকার কেরাণীগঞ্জে আনুমানিক সাড়ে চার লক্ষ টাকা মূল্যমানের ৮৯৭ পিস ভয়াবহ মাদক বুপ্রেনরফিনসহ ০১ জন আসামি’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০


আপডেট সময় : ২০২৬-০২-০৭ ২২:৫৩:২৬
ঢাকার কেরাণীগঞ্জে আনুমানিক সাড়ে চার লক্ষ টাকা মূল্যমানের ৮৯৭ পিস ভয়াবহ মাদক বুপ্রেনরফিনসহ ০১ জন আসামি’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০ ঢাকার কেরাণীগঞ্জে আনুমানিক সাড়ে চার লক্ষ টাকা মূল্যমানের ৮৯৭ পিস ভয়াবহ মাদক বুপ্রেনরফিনসহ ০১ জন আসামি’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০

নিজস্ব প্রতিবেদক​

ঢাকার কেরাণীগঞ্জে আনুমানিক সাড়ে চার লক্ষ টাকা মূল্যমানের ৮৯৭ পিস ভয়াবহ মাদক বুপ্রেনরফিনসহ ০১ জন আসামি’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০

 প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে র‌্যাব “চলো যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে” স্লোগানকে সামনে রেখে মাদক নির্মূলে নিয়মিত ও ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় *অদ্য ০৫/০২/২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১৯.৪০ ঘটিকার সময়  ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানাধীন চর-কুতুব খালপাড় এলাকায়* র‌্যাব-১০ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল সফল অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ভয়াবহ মাদক বুপ্রেনরফিনসহ মাদক চক্রের একজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

 *অদ্য ০৫/০২/২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১৯.৪০ ঘটিকার সময়* র‌্যাব-১০ এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উক্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে *আনুমানিক ৪,৪৮,৫০০/- (চার লক্ষ আটচল্লিশ হাজার পাঁচশত) টাকা মূল্যমানের ৮৯৭ (আটশত সাতানব্বই) পিস নেশাজাতীয় বুপ্রেনরফিন ইনজেকশনসহ ০১ জন* মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম *মো: গাবরু মিয়া (৪৮),* পিতা- মৃত আহম্মদ আলী, সাং-জাফরপাড়া, থানা- পীরগঞ্জ, জেলা- রংপুর বলে জানা যায়।

 প্রকাশ থাকে যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। সে দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা হতে অবৈধভাবে বুপ্রেনরফিনসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করতঃ সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 উল্লেখ্য, বুপ্রেনরফিন ইনজেকশন সাধারণত রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যথানাশক ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু বর্তমানে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে অধিক নেশাদ্রব্য উপাদান মিশিয়ে এটিকে অবৈধভাবে মাদক হিসেবে বাজারজাত করা হচ্ছে। এই ইনজেকশন সরাসরি শিরায় প্রয়োগ করা হয় এবং গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গেই তীব্র নেশার প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। বিশেষ করে প্যাথেডিন ও হেরোইন সেবনে যাদের কাঙ্ক্ষিত নেশা হয় না, তারা এই ভয়াবহ মাদকটি ব্যবহার করে থাকে বলে জানা যায়।

মাদক সমাজের সবচেয়ে ভয়াবহ বিষফোঁড়া। এটি আমাদের যুব সমাজকে ধ্বংস করছে, পরিবারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। র‌্যাব দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, “মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স” নীতির বাস্তবায়ন ছাড়া সমাজে শান্তি ও উন্নয়ন সম্ভব নয়। র‌্যাব-১০ মাদক নির্মূল অভিযানে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও মাদক, অস্ত্র, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

প্রতিবেদকের তথ্য

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ